বাস্তব জীবনে মানুষের সময় নেই অন্যের খবর নেওয়ার। সবাই ছুটছে নিজের মতো করে। সবাই সবার নিজের জীবন নিয়ে ব্যাস্ত। যত ব্যাস্ততা বাড়ছে ততই কমছে মানুষের একে অপরকে উপকার করার পরিমান। এখন রাস্তা ঘাটে বি’পদে পড়লে পাওয়া যায়না উপকার বা সাহায্য।

উপকার করার পরিবর্তে উল্টে মানুষ মুখ ফিরিয়ে চলে যায়। কিন্তু এই স্বার্থপরতার যুগেও কিছু মানুষ এখনও এমন আছেন যারা অন্যকে সাহায্য করার মধ্যেই জীবনের স্বার্থকতা খুঁজে পান। আজ আপনাদের এইরকমই একটা গল্প শোনাবো যা আপনার চোখে জল এনে দেবে।

একদিন মে’য়েটি প্রতিদিনের মতই রিক্সায় চে’পে যাচ্ছিলো, গল্পের শুরু সেখান থেকেই। সেদিন হঠাৎ সে রিক্সা থামিয়ে নেমে পড়ে। নেমে সোজা ছুটতে শুরু করে রেললাইনের দিকে। সে স্থির করেছিল আত্মহ’ত্যা করার। কিন্তু তা হতে দেননি সেই রিক্সাচালক। সেই আত্মহ’ত্যার হাত থেকে সে বাঁচায় মে’য়েটিকে এবং তাকে সুস্থভাবে বাড়ি পৌঁছে দেয়।

তারপর কে’টে গেছে কিছু বছর। পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছুই। মে’য়েটিও বড় হয়েছে এবং রিক্সাচালকও বৃ’দ্ধ হয়েছে। সেই বৃ’দ্ধ অবসর নিয়েছে নিজের কর্মজীবন থেকে।

ব’য়সের সাথে সাথে তাকে অ’সুস্থতা আপন করেছে। তিনি এখন হাসপাতালে শয্যাশায়ী। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে হঠাতই তিনি দেখলে পেলেন সেই মে’য়েটিকে, যাকে তিনি একদিন মৃ’ত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন। সে এখন সেই হাসপাতালের ডাক্তার।

মে’য়েটি তখন তাকে দেখে তার হাত ধরে ধ’ন্যবাদ জানায় এবং বলে “আপনি সেদিন আমায় আত্মহ’ত্যার হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন বলেই আজ আমি একজন ডাক্তার হতে পেরেছি। জীবনের সব মর্ম আমি বুঝেছি। আপনার সমস্ত চিকিৎসার দায়ভার তাই এখন আমার”।

একদিন বৃ’দ্ধটি মে’য়েটির জীবন বাঁচিয়েছিল, আজ মে’য়েটি তার বাকি জীবনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে ঋ’ণ শোধ করলো। আজও পৃথিবিতে কিছু ভালো মানুষের অস্তিত্ব আছে, তাই জন্যই এখনও আমরা সমাজে ভালো ভাবে বেঁচে আছি।

ভালো মন্দ সব মিলিয়েই আমাদের সমাজে চলতে হয়। সমাজে অনেক ধরনের ঘ’টনা ঘটে, কিছু আমাদের চোখে পড়ে, আর কিছু থেকে যায় অজানা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here