দু’জনের বাড়ি একই ইউনিয়নে। বাড়িতে যাওয়া-আসার সুবাধেই প্রে’মিকার সাথে পরিচয় হয় প্রে’মিকের। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্প’র্ক গড়ে ওঠে। প্রে’মিক কথা দিয়েছিলেন প্রে’মিকাকে বিয়ে করে ঘরে তুলবেন।

প্রে’মিকের আশ্বাস পেয়ে প্রে’মিকা তার সাথে শা`রীরিক স`ম্পর্কেও জ`ড়িয়েছিলেন। কিন্তু শেষমেষ কথা রাখেননি প্রে’মিক।উল্টো এখন শা`রীরিক সম্প’র্কের কথা অস্বীকার করে প্রে’মিকা ও তার বাবাকে হু’মকি দিচ্ছেন।

টানা ১৯ ঘণ্টা অ’নশন করে প্রে`মিকের বাড়িতেই অ’সুস্থ হয়ে পড়েন প্রে’মিকা। অ’নশনকালে প্রে’মিকের পরিবার তাকে নি`র্যাতন করেছে বলেও অ`ভিযোগ ওঠেছে। মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজে’লার মুর্শিবাদকুরা গ্রামে এ ঘ’টনা ঘটে।

গত বুধবার বিকেল ৩টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় পর্যন্ত প্রে’মিকের বাড়িতে টানা ১৯ ঘণ্টা অ’নশন করে অ’সুস্থ হয়ে পড়েন প্রে’মিকা নাজমিন বেগম (১৮)।পরে বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন ও গ্রাম পু’লিশ তাকে উ’দ্ধার করে উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এই ঘ`টনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রে`মিকা নাজমিন বেগম প্রে’মিক কালন মিয়াসহ ১১ জনের বি’রুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজে’লার তালিমপুর ইউনিয়নের মুর্শিবাদকুরা গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে কালন মিয়া প্রায়ই পাশের খুটাউরা গ্রামের তাজ উদ্দিনের বাড়িতে যাওয়া-আসা করতেন।

সেই সুবাধেই তাজ উদ্দিনের মে’য়ে নাজমিন বেগমের স’ঙ্গে প্রায় ৬-৭ মাস পূর্বে তার পরিচয় হয়। এরপর থেকে কালন মিয়া নাজমিনের বাবার মুঠোফোনে কল দিয়ে তার স’ঙ্গে কথা বলতেন।

একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্প’র্ক গড়ে ওঠে। গত ৩১ মার্চ নাজমিনের বাবা-মা বাড়িতে ছিলেন না। এই সুযোগে রাতে কালন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জো’রপূর্বক নাজমিনের স’ঙ্গে শা’রীরিক সম্প’র্ক করেন।

এরপর থেকে মে’য়েটি বিয়ের জন্য কালনকে চা’প দিলে সে নানা টালবাহা’না শুরু করে। একপর্যায়ে সে নাজমিনকে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। পরে নাজমিন বি’ষয়টি তার বাবা-মাকে জানালে তারা বি’ষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার লোকজনদের জানান।

এরপর তারা বি’ষয়টি নি`ষ্পত্তির আশ্বাস দেন।গত ১৫ মে দুই পরিবারের অ`ভিভাবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার লোকজন সালিস বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে সি`দ্ধান্ত হয়, প্রে’মিক কালন তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ঘরে তুলে নেবেন।

এরপর দু’দিন সময় চেয়ে নেন কালন মিয়া ও তার পরিবার। পরে স্থানীয় প্র`ভাবশালীদের ইন্ধ’নে কালন মিয়া ও তার পরিবার নানা টালবাহা’না শুরু করে উল্টো নাজমিন ও তার বাবাকে প্রা’ণনা’শের হু’মকি দেওয়া হয়। এই অবস্থায় ন্যায় বিচার চেয়ে গত ৮ জুন নাজমিন বেগম তালিমপুর ইউনিয়ন গ্রাম আ’দালতে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ জুন তালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান দুইপক্ষের লোকজনকে ডেকে বি’ষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু কালনের পরিবার না মানায় শেষ পর্যন্ত তা আর সমাধান হয়নি।

তাই বা’ধ্য হয়ে নাজমিন গতবুধবার বিকেলে ৩টায় প্রে’মিক কালন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান নেয়।বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালে গেলে নাজমিন বেগম বলেন, ‘কালনের স’ঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে আমার প্রেমের সর্ম্পক রয়েছে।

সে আমাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমার সাথে শা’রীরিক সম্প’র্ক করেছে। আমি বিয়ের জন্য চা’প দেওয়ায় সে নানা টালবাহা’না শুরু করেছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের সি`দ্ধান্ত মেনে নিলেও পরে বিয়েতে রাজি হয়নি।

শা`রীরিক সম্প’র্কের বি’ষয়টিও এখন অস্বীকার করছে। তাই আামি বা’ধ্য হয়ে তার (প্রে’মিক) বাড়িতে অবস্থার করেছি। এখন তার আত্মীয়-স্বজনরা আমাকে মা’রধর করছেন। তার বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাইছেন।

মে’রে ফেলার হু`মকি দিচ্ছেন। এখন যদি সে (প্রে’মিক) আমাকে বিয়ে না করে তবে আমি তার বাড়িতেই আত্মহ’ত্যা করবো।’ বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ব্যাপারে বড়লেখা থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক বলেন, ঘ’টনাটি ত’দন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।-বিডি প্রতিদিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here