দিনাজপুরের বিরামপুরে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) আসামিদের দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিরামপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামান মামলার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, পৌর এলাকার মাহমুদপুর গ্রামের ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নাহিদ ইসলাম (২০) নামে এক যুবক উত্ত্যক্ত করে আসছিল।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে ওই ছাত্রীর বাড়িতে কেউ না থাকায় নাহিদ তার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে ওই ছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশে কলাবাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় নাহিদের বন্ধু সুমন পাহারারত ছিল।

এসময় ছাত্রীর গোঙানির শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন এলে বখাটেরা পালিয়ে যায়।

শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ দুজনকে আটক করে।

আরও পড়ুন= গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের পর ধর্ষণ!

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে দুই স’ন্তানের জননী এক গৃ’হবধূকে (৩০) হাত-পা বেঁ’ধে নি’র্যাতনসহ ধ’র্ষ’ণের অ’ভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে, উপজে’লার চ’রমোন্তাজ ইউনিয়নের চর মার্গারেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার স’ন্দেহে শাকিল (২০) নামের একজনকে শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য চ’রমোন্তাজ পুলিশ ত’দন্ত কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। পেশায় টেইলার্স (দর্জি) শাকিল চর মার্গারেটের বাসিন্দা মজিবর শরিফের ছেলে। নি’র্যাতনের শি’কার ওই গৃ’হবধূকে রাতেই স্পিডবোট যোগে গ’লাচিপা স্বা’স্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসাসহ ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শনিবার সকালে তাকে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ওই গৃ’হবধূর স্বামী জানান, শুক্রবার রাত ৯টার আগে-পরে তার মোবাইলে বাড়ি থেকে ফোন আসে। পরে ফোনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তার কাছে বি’ষয়টি স’ন্দেহের হলে তিনি দ্রুত বাড়িতে ছুটে গিয়ে ছেলে-মেয়ের কা’ন্নার শব্দ শুনতে পান। এসময় বাতি বন্ধ ছিলো। টর্চ লাইট মে’রে দেখেন, তার স্ত্রীর হাত টেবিলের সঙ্গে বাঁ’ধা। নাক-মুখ-চোখ ওড়না দিয়ে বাঁ’ধা। পরে তার চি’ৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। এরমধ্যে তার স্ত্রী জ্ঞান হা’রিয়ে ফে’লে। অনেক অ’সুস্থ থাকায় দ্রুত গ’লাচিপা নিয়ে যান। সেখান থেকে পটুয়াখালী নেওয়া হয়। এ ঘটনায় বোরকা পরিহিত তিনজন জ’ড়িত ছিলো উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রীকে শা’রীরিক নি’র্যাতনসহ ধ’র্ষ’ণ করা হয়। এসময় তারা দেড় লক্ষাধিক টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকালে অ’সুস্থ ওই নারীকে ভর্তি করা হয়। তার মেডিক্যাল টেষ্ট সম্পন্ন হয়েছে। রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী আহম্মেদ বলেন, ভি’কটিমের আত্মীয়-স্বজন কেউ এলাকায় নেই। পটুয়াখালী রয়েছেন। ওই নারীর বক্তব্য অনুযায়ী তাকে মা’রধর এবং ধ’র্ষ’ণ করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই নারীকে পটুয়াখালী পাঠানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here