ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সং’সদের (ডাকসু) সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরসহ ছয়জনের বি;রু;দ্ধে ধ;র্ষ;ণ ও ধ;র্ষ;ণে সহযোগিতার অভি;যোগ এনে মা’মলা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী।

ওই ছাত্রীর অ;ভি;যোগ, চলতি বছরের ২৪ জুন নুরসহ কয়েকজন তাঁর স’ঙ্গে নীলক্ষেতে দেখা করেন বি’ষয়টি সমাধান করার জন্য।

লাইভে নুরুল হক নুর বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে কিংবা নীলক্ষেত এলাকায় সিসি টিভির ফুটেজ রয়েছে। পাশে নিউমার্কেট থানা রয়েছে। তো, এই একটা ত’থ্য যদি প্রমাণ করতে পারেন, আমি নীলক্ষেতে ২৪ জুন ওই মে’য়ের

স’ঙ্গে দেখা করেছি বা বি’ষয়টি মীমাংসার ব্যাপারে কথা বলেছি, তাহলে আমি সমস্ত অভি;যোগ মাথা পেতে নেব। রাজনীতি থেকে আমি সরে দাঁড়াব। এবং নিজেকে অ’পরাধী বলেই মনে করব ও আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের বলব।’

নুরুল হক নুর বলেন, ‘ওই মে’য়েকে যারা চেনেন বা স’রকারের বিভিন্ন গো’য়েন্দা সংস্থার লোক আছেন, তারা একটি বি’ষয় খালি প্রমাণ করুক যে,

মে’য়েটির স’ঙ্গে আমরা ২৪ তারিখ মীমাংসার জন্য নীলক্ষেতে বসেছি এবং সেখানে আমি উপস্থিত ছিলাম। এবং সেখানে আমরা তাঁকে হু’মকি দিয়েছি। এটা যদি প্রমাণ করতে পারেন, দ্যাটস এনাফ। আর কোনো কিছুর দরকার হবে না। আমি অ’পরাধ মাথা পেতে নেব।’

‘মে’য়েটি পু’লিশের কাছে অভি’;যোগ করেছে, পু’লিশ এজাহারভুক্ত করেছে। আমি জানি না পু’লিশ আসলে কোন ত’থ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এটাকে এজাহারভুক্ত করল?’ বলে প্রশ্ন রাখেন ভিপি নুর।

নুরুল হক নুর আরো বলেন, ‘আমি তো জানি, আমি অ;পরাধী কিনা। এখনো সত্য কথা বলছি, যে নিজের বুকে জো’র আছে। এই মে’য়ের স’ঙ্গে আমার এই ধরনের কোনো কথা-বার্তা হয়নি এবং আমি তাঁকে হু’মকিও দেইনি।

আমি কোনো অ’পরাধ করিনি।’ গত রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী ঢাকা মহানগর পু’লিশের (ডিএমপি) লালবাগ থানায় ধ;র্ষ;ণ ও ধ;র্ষ;ণে সহযোগিতার অভি;যোগে নুরুল হক নুরসহ ছয়জনের বি;রু;দ্ধে মা;মলা করেন।

পরের দিন সোমবার প’রস্পর যোগসাজশে অপহ;রণ করে ধ;র্ষ;ণ, ধ;র্ষ;ণে সহায়তা এবং হেয়প্রতিপন্ন করে ডিজিটাল মাধ্যমে অপ;প্রচার করার অ;ভিযো;;গ একই ব্যক্তিদের আ’সামি করে ডিএমপির কোতোয়ালি থানায় আরেকটি মাম;লা করেন ওই ছাত্রী। লালবাগ থানায় করা মা;মলার আ’সামিরা হলেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন (২৮),

যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮), ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর (২৫), ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম (২৮), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সহসভাপতি নাজমুল হুদা (২৫) ও আব্দুল্লাহিল বাকি (২৩)। কোতোয়ালি থানায় করা মা’মলায় নাজমুল হাসান সোহাগকে ১ নম্বর ও হাসান আল মামুনকে ২ নম্বর আ’সামি করা হয়। দুটি মা’মলায় নুরকে ৩ নম্বর আ’সামি করা হয়।

মা;মলার প্রধান আ’সামি বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে গতকাল বুধবার সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এই ঘ’টনায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি ত’দন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

লালবাগ থানায় করা মা’মলার এজাহারে বা’দী উল্লেখ করেন, ‘আ’সামি হাসান আল মামুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সপ্তম ব্যাচের ছাত্র। তিনি আমার ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই এবং বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সুবাধে আমার স’ঙ্গে পরিচয় হয়।’

‘২০১৮ সালের ২৯ জুলাই আ’সামি আমার বিভাগের সিনিয়র হওয়ায় তার স’ঙ্গে ব্যক্তিগত সম্প’র্ক তৈরি হয়। সম্প’র্কের একপর্যায়ে আ’সামির স’ঙ্গে আমার প্রেমের সম্প’র্ক তৈরি হয়। এর ধারাবাহিকতায় আ’সামির স’ঙ্গে আমার বিভিন্ন সময়ে ম্যাসেঞ্জার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কথোপকথন হয়।

সেখানে আ’সামি আমাকে শা’রীরিক সম্প’র্কের ইঙ্গিত দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় আ’সামি গত ৩ জানুয়ারি অনুমান দুপুর ২টায় তার বাসা নবাবগঞ্জ বড় মসজিদ এলাকায় যেতে বলে এবং আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় ধ’র্ষণ করে।’

এজাহারে আরো বলা হয়েছে, ‘ঘ’টনার পর গত ৪ জানুয়ারি আমি অ’সুস্থ হয়ে পড়ি। ১২ জানুয়ারি আমাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় মামুনের বন্ধু সোহাগের মাধ্যমে।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় আমি ক্যাম্পাস রিপোর্টারদের স’ঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে মামুন ও সোহাগ তা হতে দেয়নি। এর আগে মামুনকে বিয়ের জন্য চা’প দিলে সে রাজি হয়, কিন্তু আমি অ’সুস্থ হওয়ার পর সে নানা টালবাহা’না শুরু করে।’ ‘এরপর উপায়ান্তর না দেখে গত ২০ জুন বি’ষয়টি ভিপি নুরকে মৌখিকভাবে জানাই। সে বলে, মামুন আমার পরিষদের, আমার সহযোদ্ধা। তার স’ঙ্গে বসে একটা সুব্যবস্থা করে দেব। এরপর ২৪ জুন মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে তিনি আমার স’ঙ্গে

নীলক্ষেতে দেখা করতে আসেন। কিন্তু মীমাংসার বি’ষয়টি এড়িয়ে আমাকে এ বি’ষয়ে বাড়াবাড়ি করতে নি’ষেধ করেন। আমি যদি বাড়াবাড়ি করি তাহলে তার ভক্তদের দিয়ে ফেসবুকে আমার নামে উল্টাপাল্টা পোস্ট করাবে এবং আমাকে প’তিতা বলে প্রচার করবে বলে হু’মকি দেয়। তাদের ছাত্র অধিকার পরিষদের ১.১ মিলিয়ন সদস্যের গ্রুপে এ প্রচা;রণার হু’মকি দেওয়া হয়।

নুর আরো জানায়, তার একটি লাইভে আমার সব সম্মান চলে যাবে। ইতোমধ্যে মা;মলার চার নম্বর আ’সামি সাইফুল ইসলাম আমার নামে কুৎসা রটিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here