মিশর আফ্রিকার অন্যান্য দেশের মতো কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করেই কি’শোরী কন্যাদের যো’নিচ্ছেদ প্রক্রিয়া করে থাকে। দেশটির অধিকাংশ মানুষই এ কাজটি করে থাকে। সেখানে নির্বিচারে চলে কি’শোরী কন্যাদের যো’নিচ্ছেদ প্রক্রিয়া।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ধ’র্মীয় কারণে, আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রথার নামে করা হয় এই ষন্ত্রণাদায়ক প্রক্রিয়া। বি’রুদ্ধে নিয়ম অনেক রয়েছে। কিন্তু এবার ধ’র্মীয় বিশ্বা’স বা প্রথার নামে এই যন্ত্র’ণাদায়ক প্রথার অবসান করতে উঠে পড়ে লেগেছে মিশরের প্রশাসন।

যন্ত্র’ণাদায়ক এই প্রক্রিয়ায় ম’হিলাদের যো’নির অনেকটা অংশই শ’রীর থেকে বাদ চলে যায়। এর ফলে তাঁদের শ’রীর যৌ’নক্রিয়ায় অনেক পরে সাড়া দেয়।

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে যৌ’নক্রিয়ার সময় ম’হিলারা কোনও অনুভূতিই পাচ্ছেন না। মি’লনের সময় যখন একটি শ’রীর সাড়াই না দেয় তাহলে স’ঙ্গীও সু’খানুভূতি থেকে বঞ্চিত হন। যার ফলে বাড়ছে দাম্পত্য ক’লহ এবং বিচ্ছেদের মতো ঘ’টনা।

মিশরে ইতিমধ্যেই এ প্রক্রিয়াকে অ’বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। কেউ এই প্রক্রিয়ায় শামিল থাকলে তাঁর ন্যূনতম সাত বছর পর্যন্ত জে’ল হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এতদিন সেভাবে এই আইন প্রয়োগ করা হত না।

কিন্তু সাম্প্রতিক সমীক্ষায় টনক নড়েছে প্রশাসনের। তাই ম’হিলাদের অ’বৈধ যো’নিচ্ছেদের বি’ষয়টি নিয়ে আরও কড়া হতে চলেছে সে দেশের স’রকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here